শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত খুদে বিজ্ঞানীর সর্বোচ্চ সম্মাননা অর্জন



বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত  সাড়ে ৮ বছর বয়সী সুবর্ণ আইজ্যাক বারীকে বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী অধ্যাপক ও খুদে আইনস্টাইন বলা হয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পাওয়া এই খুদে বিজ্ঞানীকে গত ১৭ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হয়।
সুবর্ণ আইজ্যাক বারী
বিশ্বজুড়ে আলোচিত খুদে বিজ্ঞানী সুবর্ণের কাজের প্রতি সম্মান জানিয়ে সম্মাননার স্বীকৃতিপত্র দিয়েছেন নিউইর্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু ক্যুমো। করোনার কারণে প্রতিনিধি দল পাঠিয়ে সেটি তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়।

সুবর্ণের পরিবার জানিয়েছে, প্রতিনিধিদল স্বীকৃতিপত্র পৌঁছে দেয়ার সময় গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সুবর্ণকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে তিনি কবে নাগাদ এ সাক্ষাৎ করছেন, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
এ স্বীকৃতিপত্রে বিশ্বের কনিষ্ঠ বিজ্ঞানী সুবর্ণের গণিত ও পদার্থ বিজ্ঞানে অসামান্য অর্জন, সন্ত্রাস-বিরোধী প্রচারে অংশগ্রহণ, শান্তি প্রতিষ্ঠায় সচেতনতার ব্যবহারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বে ইতিবাচক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় তাকে ‘চাইল্ড প্রডিজি’ হিসেবে পরিচিত বলেও বলা হয়।
এ ছাড়া ভ্রাতৃত্ব, প্রজ্ঞা ও সহানুভূতির দ্বারা গভীর চরিত্র এবং মূল্যবোধের সিঁড়ি আলাদা করায় নিউইয়র্কের পক্ষ থেকে সুবর্ণকে সম্মাননা জানানোর বিষয়টি তুলে ধরেন গভর্নর। তার ‘দ্য লাভ’ বইয়ে সব ধর্মের মধ্যে সম্প্রীতি ও সহনশীলতা জাগাতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলেও মনে করেন তিনি।
মা-বাবা এবং ভাইয়ের সঙ্গে সুবর্ণ
সুবর্ণ নিউইয়র্কে বসবাসকারী একটি বাংলাদেশি পরিবারে ২০১২ সালের এপ্রিল ৯ জন্মগ্রহণ করেন। খুব অল্প বয়সে পিএইচডি পর্যায়ের গণিত, পদার্থ ও রসায়ন বিজ্ঞানের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে বিশ্বব্যাপী সুখ্যাতি পান তিনি। এরপর তাকে শুভেচ্ছা জানান সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা থেকে শুরু করে বিভিন্ন খ্যাতনামা ব্যক্তিরা।
অক্সফোর্ড ও পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চিঠি লিখে শুভেচ্ছা জানায় সুবর্ণকে। ২০১৮ সালে তাকে খুদে বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। সুবর্ণকে বিজ্ঞানী হিসেবে ভারতের দিল্লিতে ‘গ্লোবাল চাইল্ড প্রডিজি অ্যাওয়ার্ড’ দিয়েছেন নোবেল বিজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী। পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে তাকে দেশটির মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
সুবর্ণর বাবা যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশি রাশীদুল বারী এবং মা শাহেদা বেগম। এই দম্পতি বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। রাশীদুল কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিতে পিএইচডি করে নিউ ইয়র্কের ব্রোনক্স কলেজের গণিতের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। এই পরিবারের দ্বিতীয় সন্তান সুবর্ণ।

Source: 24 live

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০

সুদান ও ইসরাইল সম্পর্ক



 কাছে টানার চেষ্টা করছে ইসরায়েল। কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে ইসরায়েলের প্রতিনিধিদল সুদানে পৌঁছেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, খুব শিগগিরই আরব-নিয়ন্ত্রিত আফ্রিকার এই দেশটির সঙ্গে ইসরায়েল চুক্তি করতে পারে। বিশেষ করে ইসরায়েলি প্রতিনিধিদলের এই সফরে সেই সম্ভাবনা আরো বেড়েছে।
জানা গেছে, গত বুধবার তেল আভিভ থেকে একটি বিমান সুদানে যায়। বার্তা সংস্থা এএফপি এবং আল-জাজিরা বিষয়টি বিভিন্ন সূত্র থেকে নিশ্চিত হয়েছে।
সুদান সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, সুদানের রাজধানী খারতুমে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল সফর করেছে। সুদানের ট্রানজিশনাল মিলিটারি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহানের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন। 
সুদান ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ব্যাপারে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তবে কেউ মুখ খুলতে রাজি নন। 
 Source:   Al Jazira


Source: BD News 24X7


বাইডেনের ভোটারদের হুমকি দিচ্ছে ট্রাম্প সমর্থক উগ্রপন্থীরা



ঘটনার তদন্ত করছে এফবিআই : উগ্রপন্থীদের রক্ষায় রাশিয়া ও ইরানের দিকে অভিযোগের তীর। 

| যুগান্তর
নির্বাচনের মাত্র ১০ দিন বাকি থাকতে বিভিন্ন রাজ্যে  ডেমোক্রেট ভোটারদের হুমকি দিচ্ছে ট্রাম্প সমর্থক উগ্রপন্থীরা।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক শেতাঙ্গ উগ্রবাদী গোষ্ঠী প্রাউড বয়েজ হুমকি দিয়ে অনেক ইমেইল পাঠিয়েছে ডেমোক্রেট ভোটারদের। পেনসিলভানিয়া, আরিজোনা, আলাস্কা ও ফ্লোরিডায় পাঠানো

ওইসব ইমেইলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দেয়ার জন্য সতর্ক করে দেয়া হয়। ইমেইলে আরও উল্লেখ করা হয়, রহস্যজনক মেইল প্রেরণকারীর ভোটার হিস্ট্রিতে প্রবেশের সুযোগ আছে। যদি প্রেসিডেন্টকে ভোট না দেয়া হয় তবে তোমার ওপর আক্রমণ হতে পারে। দ্য হিল, এবিসি নিউজ।
এদিকে ডেমোক্রেট সমর্থকদের ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিয়ে পাঠানো এসব ইমেইল নিয়ে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন- এফবিআই। মার্কিন সরকার অবশ্য আগ বাড়িয়ে বলে দিয়েছে যে, হুমকি দিয়ে ইমেইল পাঠানোর পেছনে রাশিয়া ও ইরানের হাত থাকতে পারে।
বুধবার রাতে কর্মকর্তারা বলেন, ইরান ভুয়া ইমেইলের মাধ্যমে ভয় দেখিয়ে ও হুমকি দিয়ে ইমেইল পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়, রাশিয়া ও ইরান ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করে ফেলেছে। এসব তথ্য আসন্ন নির্বাচনকে হুমকির মুখে ফেলার জন্য ব্যবহার করা হতে পারে।
ট্রাম্প সমর্থকদের পাঠানো ইমেইলগুলোর একটিতে লেখা ছিল, ‘আপনি নির্বাচনের দিন ট্রাম্পকে ভোট দেবেন। অন্যথায় আমরা আপনার ওপর হামলে পড়ব।’ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, অসংখ্য ইমেইল পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ জন ছাত্রকেও মেইল পাঠানো হয়েছে।

মার্কিন সাইবার ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার সিকিউরিটি এজেন্সির প্রধান ক্রিস ক্রেবস বলেন, ‘আপনার ভোটের গোপনীয়তা সংক্রান্ত ভুলপথে পরিচালিত ও হুমকি দিয়ে পাঠানো ইমেইল সম্পর্কে এজেন্সি অবগত আছে। আমরা যেটা স্পষ্ট করতে চাই তা হল অসত্যায়িত ও স্পর্শকাতর এসব দাবি আমলে নেবেন না।
নির্বাচনের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আমেরিকান ভোটার মানে আপনিই হচ্ছেন শেষ ভরসা। সুতরাং তৈরি হোন, স্মার্ট ভোক্তা হোন এবং তথ্য শেয়ার করুন। সর্বোপরি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভোট দিন।’ বিভিন্ন রাজ্যের কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন যে ইমেইল সম্পর্কে তারা সচেতন আছে।
এফবিআই’র পাশাপাশি ফ্লোরিডার শেরিফরাও ইমেইলে হুমকি পাঠানোর বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। তারা বলছে, এসব ইমেইল সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে পাঠানো হয়ে থাকতে পারে। পাঠানো ইমেইল প্রাউড বয়েজের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও গ্রুপটির কর্তৃপক্ষ এমন ইমেইল পাঠানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছে।
প্রাউড বয়েজের ইন্টারন্যাশনাল চেয়ারম্যান এনরিক ট্যারিও বলেন, ‘কোনোভবেই এমন কর্মকাণ্ডের পেছনে আমরা নেই।’ তার দাবি প্রাউড বয়েজ এ ধরনের গণইমেইল ও গণবার্তা প্রদান পদ্ধতি ব্যবহার করে না। এমনকি আমরা নিজেদের মধ্যেও এমনটি করি না।

 সুত্রঃ  যুগান্তর


বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০

এরদোগানের জনপ্রিয়তা বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে



আরব শাসকদের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও দেশগুলোর সাধারণ জনগণের মাঝে হু হু করে জনপ্রিয়তা বাড়ছে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগানের। অতি সম্প্রতি প্রকাশিত আরব জনমতের ওপর একটি ব্যাপক-ভিত্তিক জরিপের ফলাফলের বরাত দিয়ে একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে। খবর বিবিসির।

এতে বলা হয়, মিসরকে সঙ্গে নিয়ে উপসাগরীয় অধিকাংশ আরব দেশ তুরস্ককে কোণঠাসা করার উপায় খুঁজতে তৎপর হলেও সিংহভাগ আরব জনগণ মনে করছে এরদোগানই তাদের সবচেয়ে বড় শুভাকাঙ্ক্ষী। তুরস্ক এবং প্রেসিডেন্ট এরদোগানের ব্যাপারে আরব দেশের সরকার ও জনগণের এই বিপরীত অবস্থান উন্মোচিত হয়েছে ওই জরিপের ফলাফলে। আরব বিশ্বের ১৩টি দেশে পরিচালিত হয় এই জনমত জরিপ। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৫৮ শতাংশই মনে করেন, অন্য যে কোনো দেশের নীতির তুলনায় তুরস্কের মধ্যপ্রাচ্য-নীতি আরব স্বার্থের পক্ষে। ফিলিস্তিন ইস্যু তো বটেই, এমনকি সিরিয়া এবং লিবিয়ায় তুরস্কের বিতর্কিত সামরিক হস্তক্ষেপও সিংহভাগ আরব জনগণ সমর্থন করছে। তুরস্কের পর চীন ও জার্মানির মধ্যপ্রাচ্য নীতির প্রতি আরবদের মনোভাব সবচেয়ে ইতিবাচক। চীনের নীতির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন ৫৫ শতাংশ, আর জার্মানির নীতির পক্ষে ইতিবাচক মতামত দেন ৫২ শতাংশ উত্তরদাতা। উল্টোদিকে, সবচেয়ে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্য-নীতির ব্যাপারে।

এশিয়া ও আফ্রিকায় আরব বিশ্বের ১৩টি আরব রাষ্ট্রে বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সাধারণ আরব জনগণের মনোভাব জানতে এই জরিপটি করেছে দোহা এবং বৈরুতভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘আরব সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি স্টাডিজ’। লন্ডনে রাজনৈতিক ঝুঁকি সম্পর্কিত গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারেস্টের প্রধান এবং মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতির বিশ্লেষক সামি হামদি মনে করেন, তুরস্ক রাষ্ট্রের চেয়ে ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট এরদোগান যে সাধারণ আরব জনগণের বিরাট একটি অংশের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছেন, তা নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। তিনি বলেন, ‘সন্দেহ নেই তুরস্কের গ্রহণযোগ্যতা, বিশেষ করে সাধারণ প্রান্তিক আরব জনগোষ্ঠীর কাছে, বাড়ছে। এবং গ্রহণযোগ্যতা বাড়ার পেছনে তুরস্ক রাষ্ট্রের চেয়ে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের ভাবমূর্তি প্রধান ভূমিকা রাখছে।’

শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০

Al Quran, al Emran-20

 সূরা নম্বরঃ ৩, আয়াত নম্বরঃ ২০
 
যদি তাহারা তোমার সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত হয় তবে তুমি বল, আমি আল্লাহ্‌র নিকট আত্মসমর্পণ করিয়াছি এবং আমার অনুসারিগণও।' আর যাহাদেরকে কিতাব দেওয়া হইয়াছে