সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০

ফ্রা‌ন্সের পণ্য বয়কট প্রসং‌গে

       ‌বি‌শ্বের, মুস‌লিম বি‌শ্বের এবং ফ্রা‌ন্সের শা‌ন্তির জন্য ফ্রা‌ন্সের ভাবা উ‌চিৎ । হয় তো মুস‌লি‌মের মে‌রে ফ্রান্স য‌থেষ্ট কর‌তে পার‌বে কিন্তু ফ্রা‌ন্সের এবং সমগ্র বি‌শ্বের কি কিছুই ক্ষ‌তি হ‌বে না ? সে কার‌নেই  বল‌ছি তা‌দের তথা বি‌শ্বের ভাবা দরকার যে , বাক স্বাধীনতা মা‌নে কারও ধর্ম  বিশ্বা‌সে আঘাত করা নয় । অথচ বলা হয়  ফ্রান্স গনতন্ত্রের দেশ ।এ সমস্যার সমাধানের জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিৎ।ফ্রা‌ন্সের পণ্য বয়ক‌টের রেশ বাংলা‌দে‌শেও ছ‌ড়ি‌য়ে প‌ড়ে‌ছে ।  মুসলমানেরা আশা করেন আমা‌দের নবী সঃ কে  যেন  অপমান না করা হয়।

বাংলাদে‌শেও পণ্য বয়ক‌টের প্রচারপত্র :

‌জো বাই‌ডে‌নের সম্পদ

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বাইডেনের সম্পদ নিয়ে জল্পনা-কল্পনাও শুরু হয়ে গেছে। 
 নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, ২০১৬, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালের স্টেট এবং ফেডারেল আয়কর রিটার্নের যে হিসাব দেওয়া হয়েছে তার বরাত দিয়ে ফোর্বস গত বছর এক প্রতিবেদনে জানায়, বাইডেনের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৯০ লাখ ডলার (৭৬ কোটি ২৩ লাখের বেশি টাকা)।  
১৯৭৩ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সিনেটর ছিলেন বাইডেন। সিনেটের হিস্টোরিক্যাল রেকর্ড বলছে, এই সময়ের মধ্যে ‌জো বাইডেনের বেতন ৪২ হাজার ৫০০ ডলার থেকে প্রতি বছর ১ লাখ ৭৪ হাজার ডলার পর্যন্ত হয়েছে। জো বাইডেন তখন উপহাস করে বলতেন, আমি কংগ্রেসের সবচেয়ে গরীব মানুষ। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন জো বাইডেন। তখন এক ধাক্কায় তার বেতন ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়। প্রতি বছরে সেই বেতন দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার ডলারে। ২০১৯ সালে বাইডেন জানিয়েছিলেন, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে তার এবং স্ত্রী জিল বাইডেনের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৫ লাখ ডলার। 

সূত্র: টাউন অ্যান্ড কাউন্টি

Source: Bangladesh Protidin

বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২০

আ‌মে‌রিকার নির্বাচ‌নে কয়েকটি রা‌জ্যে ভোট ব্যবধান

আলাস্কা ও নর্থ ক্যারোলাইনার ভোট গণনার হালনাগাদ তথ্য আগামী সপ্তাহের আগে পাওয়া সম্ভব হবে না। 
অ্যারিজোনা 
রাজ্যটির ম্যারিকোপা ও পিমা কাউন্টিতে নতুনভাবে ভোট গণনায় সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন বাইডেন। তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে ৪৬ হাজার থেকে ৪৯ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
জর্জিয়া
 ডোনাল্ড ট্রাম্প এই রাজ্যটিতে এগিয়ে আছেন । দিনের শুরুতে ১৮ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকলেও এখন বাইডেনের চেয়ে মাত্র দুই হাজার ভোটে এগিয়ে তিনি।
নেভাদা 
রাজ্যটিতে ভোটের ব্যবধান কমিয়ে আনার প্রত্যাশা ছিল ট্রাম্পের। কিন্তু তা আরও বাড়ছে। ব্যবধান আট হাজার থেকে বেড়ে তা ১১ হাজারে পৌঁছেছে।
পেনসিলভেনিয়া
দিনের শুরুতে এক লাখ ৬০ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু সেই ব্যবধান কমে এখন ৩৭ হাজারে পৌঁছাল।

Source : Jugantor

বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২০

যুক্তরাষ্ট্রের ভোটে আমাদের কোনো সমস্যা নেই

 

   ড.মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে যে কেউ ক্ষমতায় আসুক না কেন, আমাদের কোনো সমস্যা নেই।জো বাইডেনের জেতার পথে ,ট্রাম্প বলছেন ভোট জালিয়াতি  হয়েছে।পররাষ্ট্র নীতি কোনো ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে না উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে যে কেউ ক্ষমতায় আসুক না কেন, আমাদের কোনো সমস্যা নেই।    তারা প্রতিটি রাজ্যের মর্যাদা ধরে রেখে খুব সুন্দরভাবে ব্যবস্থাটি তৈরি করেছে।মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি খুব ভালো করছে এবং বাংলাদেশ ভূ-রাজনৈতিকভাবে খুব ভালো অবস্থানে রয়েছে। আমরা নিরপেক্ষতা বজায় রেখেছি। কোনো দেশের সঙ্গে আমাদের শত্রুতা নেই। আমরা সবার মঙ্গল কামনা করি।তার মতে, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশ খুব ভালোভাবে কাজ করবে।  তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশ সর্বত্র স্থিতিশীলতা দেখতে চায়।  আমরা দৃঢ় স্থিতিশীলতা চাই।

২০১৭ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির কারণে প্রবাসীদের অসুবিধা হলেও টিপিপি তুলে দেয়ায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছে বলে মন্তব্য করেন ড. মোমেন।  তিনি বলেন, ট্রাম্প আসার পরে আমাদের দেশের প্রবাসীদের অনেকের অসুবিধা হয়েছিল।  কিন্তু আমাদের দেশের বড় উপকার হল উনি (ট্রাম্প) এসে টিপিপিটা বাদ দিয়ে দিলেন।  আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলো বিনা ট্যারিফে আমেরিকায় জিনিস পাঠাত, এগুলো তিনি বাদ দিয়ে দিলেন। তার ফলে আমাদের একটা ভালো সুবিধা হয়।ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উনি (ট্রাম্প) আসার পর আমাদের সঙ্গে একটা ভালো সম্পর্ক ছিল। আমরা সন্ত্রাসমুক্ত হয়েছি অনেকটা, আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। আমরা উন্নতিও করেছি। আমরা কারও ওপর নির্ভরশীল না। 

ইনশা আল্লাহ।




 

বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০

সেকুলারদের কথা ফ্রান্স হচ্ছে গণতন্ত্র এর দেশ

 দুনিয়াব্যাপী সেকুলারদের একটা বয়ান হচ্ছে ফ্রান্স হচ্ছে গণতন্ত্র এবং লিবার্টি বা স্বাধীনতার ধারক-বাহক।
ফ্রান্স টিকেই আছে আফ্রিকাকে শোষণ করার মধ্য দিয়ে। এটা গোপন কিছু না। সময়ে সময়ে ফরাসিরা নিজেরাও এটা স্বীকার করে। ১৯৫৭ সালে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া মিতেঁরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, আফ্রিকার উপর নিয়ন্ত্রণ টিকিয়ে রাখতে না পারলে একবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে ফ্রান্সের কোনো জায়গা থাকবে না।

পাঁচ দশক পর তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক ২০০৮ সালে সেটা আবারও নিশ্চিত করে বলেছিলেন, আফ্রিকা না থাকলে ফ্রান্স তৃতীয় বিশ্বের তালিকায় ছিটকে পড়ত। তিনি পরিষ্কারভাবেই স্বীকার করেছিলেন, ফ্রান্সের ব্যাঙ্কগুলোতে যে টাকা আছে, তার একটা বড় অংশ আসে আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলোকে শোষণ করার মধ্য দিয়ে।

কীভাবে ফ্রান্স আফ্রিকাকে শোষণ করছে? প্রধানত কলোনিয়াল মুদ্রা সিএফএ ফ্রাঙ্কের (CFA Franc – Franc of the French Colonies in Africa) মাধ্যমে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে যখন আফ্রিকাজুড়ে কলোনিগুলো স্বাধীনতা দাবি করে, তখন ব্রিটিশ, স্প্যানিয়ার্ড এবং ইতালিয়ানরা তুলনামূলকভাবে সহজেই তাদেরকে স্বাধীনতা দিয়ে ফিরে যায়। কিন্তু ফ্রান্স ছিল ব্যতিক্রম। তারা তাদের কলোনিগুলোকে স্বাধীনতা দেয় এই শর্তে যে, স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোকে তারা অর্থনৈতিক এবং সামরিক দিক থেকে “সহযোগিতা” করবে।

সামরিক ক্ষেত্রে এই সহযোগিতার অর্থ ছিল, ফরাসি সেনাবাহিনী স্বাধীনতার পরেও আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলোতে অবস্থান করবে, তাদের পুলিশ এবং সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিবে, বিনিময়ে রাষ্ট্রগুলোকে তাদের সকল অস্ত্র ক্রয় করতে হবে কেবলমাত্র ফ্রান্সের কাছ থেকে।

আর অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এই সহযোগিতার অর্থ ছিল, স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোকে তাদের মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করতে হবে সিএফএ ফ্রাঙ্ক। শুধু তাই না, রাষ্ট্রগুলোর যেকোনো প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলনের ক্ষেত্রে, যেকোনো বড় প্রজেক্ট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আগে ফ্রান্সকে প্রস্তাব দিতে হবে।

সিএফএ ফ্রাঙ্ক মুদ্রাটি নিয়ন্ত্রণ করে ফ্রেঞ্চ ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট। আর সে কারণে আফ্রিকায় ফ্রান্সের ১৪টি সাবেক কলোনিকে আজও তাদের ফরেন রিজার্ভের অর্ধেক (আগে ছিল ৬৫%, তারও আগে ৮৫%) জমা রাখতে হয় ফ্রেঞ্চ ট্রেজারির কাছে।

দেশ চালানোর জন্য তাদের যদি অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হয়, তাহলে তাদেরকে সেটা ঋণ নিতে হয় ফ্রান্সের কাছ থেকেই। এবং সেই ঋণের সুদ শোধ করতে করতেই তাদের বাকি জীবন অতিবাহিত হয়। চক্রে আটকা পড়ে যায় তাদের জীবন।

ভাবতে পারেন, আফ্রিকান রাষ্ট্রগুলো কেন এই ব্যবস্থা মেনে নিচ্ছে? কেন তারা এই সিস্টেম থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে না? উত্তরটা হচ্ছে, অনেকেই চেষ্টা করেছিল। তাদের পরিণতি ভালো হয়নি।

স্বাধীনতার পর সেকু তুরের নেতৃত্বে গিনি ফ্রান্সের আধিপত্য মেনে নিতে রাজি হয়নি। ১৯৬০ সালে তারা ফ্রাঙ্ক জোন ছেড়ে বেরিয়ে যায়। প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ফ্রেঞ্চ সিক্রেট সার্ভিস জাল মুদ্রা সরবরাহ করে গিনির অর্থনীতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়।

সিলভানাস অলিম্পিওর নেতৃত্তে টোগোও স্বাধীনভাবে পথ চলার উদ্যোগ নেয়। স্বতন্ত্র টোগোলিজ মুদ্রা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৬৩ সালের ১২ই ডিসেম্বর তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে। পরের দিন সকালে ফরাসিদের দ্বারা প্রশিক্ষিত টোগোলিজ সেনারা অলিম্পিওকে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে।

এটা ছিল সাবেক কলোনিগুলোতে সংঘটিত ফ্রান্সের প্রথম ক্যু, পরবর্তীতে যার পুনরাবৃত্তি হয়েছে অনেকবার।

আফ্রিকার প্রতিটি সাবেক কলোনিতে ক্যু এবং পাল্টা ক্যুয়ের মাধ্যমে ফ্রান্স নিজেদের অনুগত স্বৈরশাসকদেরকে ক্ষমতায় বসিয়ে রেখেছে, আর তাদের মাধ্যমে খনিজ সম্পদে পরিপূর্ণ আফ্রিকার সম্পত্তি লুট করে যাচ্ছে।

১৯৬৪ সালে ফ্রান্স গ্যাবনে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ওমার বঙ্গোকে ক্ষমতায় বসায়, যার শাসনব্যবস্থা চলে পরবর্তী ৪২ বছর পর্যন্ত। গ্যাবনের গুরুত্ব কী? গ্যাবনে আছে বিশাল ইউরেনিয়ামের মজুদ। আর ফ্রান্সের নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরগুলোর জন্য দরকার এই ইউরেনিয়াম।

ওমারের মৃত্যুর পর আজও গ্যাবনের ক্ষমতায় আছে তার ছেলে আলি ওমার বঙ্গো। ফ্রান্সের প্রতি তাদের আনুগত্যের বিষয়টা প্রকাশ পায় ওমার বাঙ্গোর একটা উক্তি থেকে। যেখানে জ্যাক শিরাক নিজেই আফ্রিকাকে শোষণের কথা স্বীকার করেছিলেন, সেখানে বাঙ্গো বলেছিলেন, গ্যাবনকে ছাড়া ফ্রান্স হচ্ছে ড্রাইভার ছাড়া গাড়ির মতো, আর ফ্রান্সকে ছাড়া গ্যাবন হচ্ছে জ্বালানী ছাড়া গাড়ির মতো।
অথচ বাস্তবে ফ্রান্সই দশকের পর দশক ধরে গ্যাবনের কাছ থেকে ইউরেনিয়াম জ্বালানি আদায় করে নিচ্ছে অত্যন্ত সুলভ মূল্যে।

এই সুলভ মূল্যে যদি কেউ রাজি না হয়, তাহলে তার ভাগ্যেও জুটতে পারে অভ্যুত্থান। সেটাই ঘটেছিল নাইজারের প্রেসিডেন্ট মামাদু তানজার ভাগ্যে। ফ্রান্সের দেওয়া মূল্য কম মনে হওয়ায় ২০০৯ সালে তিনি ইউরেনিয়ামের মূল্যের ব্যাপারে চীনের সাথে দরদাম শুরু করেছিলেন। কয়েক মাসের মধ্যেই তাকে বিদায় নিতে হয়।

২০১১ সালে বিদায় নিতে হয় আইভরি কোস্টের প্রেসিডেন্টকেও। সেখানেও একই কারণ। তবে ইউরেনিয়াম না, আইভরি কোস্ট হচ্ছে ফ্রান্সের প্রধান কফি এবং কোকো সরবরাহকারী রাষ্ট্র।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ফ্রান্স এ পর্যন্ত ৩০টিরও বেশি সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। আফ্রিকার প্রায় প্রতিটা অভ্যুত্থান, প্রতিটা গুপ্তহত্যার পেছনে ফ্রান্সের কোনো না কোনো ভূমিকা আছে।

এবং এটা শুধু মধ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ না। ২০১১ সালে গাদ্দাফিকে উৎখাত করার পেছনেও প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল ফ্রান্স। সে সময় আমেরিকার ভূমিকা ছিল লিডিং ফ্রম বিহান্ড। ওবামা প্রশাসন ছিল দ্বিধাবিভক্ত। কিন্তু ফ্রান্স একেবারেই শুরু থেকেই ছিল আগ্রাসী।

ফ্রান্সই সর্বপ্রথম লিবিয়ার বিদ্রোহীদেরকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। ফ্রান্সই জাতিসংঘের রেজোল্যুশন ড্রাফট করেছিল। এবং সেই রেজোল্যুশন পাশ হওয়ার আগেই ফ্রান্স তার যুদ্ধবিমান পাঠিয়ে দিয়েছিল বেনগাজির দিকে অগ্রসর হতে থাকা গাদ্দাফির বাহিনীর উপর হামলা করার জন্য।

গাদ্দাফির মৃত্যুর পরে আমেরিকা লিবিয়া থেকে নিজেকে অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছে। কিন্তু ফ্রান্স দিনে দিনে তার ইনভলভমেন্ট আরো বৃদ্ধি করেছে। আমেরিকার অক্সিডেন্টাল অয়েল অ্যান্ড গ্যাস লিবিয়া ছেড়ে যাওয়ার সময় নিজেদের শেয়ার বিক্রি গেছে ফ্রান্সের টোটালের কাছে।

কিন্তু এটা ঘটেছে বৈধভাবে। আর অবৈধভাবে ফ্রান্স লিবিয়ার দক্ষিণে স্বর্ণের খনি থেকে স্বর্ণ উত্তোলন এবং চোরাচালান করে নিয়ে যাচ্ছে কোনো নজরদারি ছাড়াই। প্রায় কোনো মিডিয়াতেই এটা পাওয়া যায় না, কিন্তু দক্ষিণাঞ্চলের স্থানীয় লিবিয়ানদের কাছ থেকে শোনা যায়, সেখানে আফ্রিকানদেরকে দিয়ে স্বর্ণ উত্তোলন করানোর এই কার্যক্রমের পেছনে ফরাসি কোম্পানিগুলোই দায়ী।

 Live: Paris' Eiffel Tower reopens to public - CGTN


উৎসঃ ইসলামিক অনলাইন মিডিয়া

সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০

ফরা‌সি পন্য বর্জনের ডাক

 হজরত মুহাম্মদকে (সা.) ও ইসলাম অবমাননার পদক্ষেপে সমর্থন দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এ ঘটনায় পুরো মুসলিম বিশ্ব ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন। বেশ কয়েকটি আরব দেশ ফ্রান্সের পণ্য বয়কটেরও ডাক দিয়েছে।
 তুর্কিদের ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। এ ছাড়াও ইসলামবিরোধী ইস্যুতে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে থামানোর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দদের আহ্বান জানিয়েছেন ন্যাটো জোটের এই মিত্র দেশটির প্রধান।
শনিবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট  এরদোয়ান বলেছিলেন,  ম্যাক্রোঁর সমস্যা রয়েছে। তার মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে পরীক্ষা করা দরকার।  তিনি বলেন, ফ্রান্সে যেমন ‘তুর্কি ব্র্যান্ড’র পণ্য ক্রয় না করা জন্য বলা হচ্ছে; ঠিক তেমনই আমিও তুরস্কের সব নাগরিককে একই ধরনের আহ্বান জানিয়ে বলছি, কখনই কোনো ফরাসি ব্র্যান্ডকে সহায়তা করবেন না অথবা ফরাসি ব্র্যান্ড’র পণ্যসামগ্রী কিনবেন না।
এদিকে, অনেক আরব দেশেই ফরাসি জিনিস, বিশেষ করে মেক আপ সামগ্রী ও সুগন্ধী আর বিক্রি করা হচ্ছে না। শপিং মল বা দোকানের তাক খালি করে দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ডয়েচে ভেলের বাংলা সংস্করনের এক প্রতিবেদনে।

সুত্র : রয়টার্স ,ড‌য়েস ভে‌লে 

Source : Kalerkontho

ফ্রা‌ন্সের পন্য বর্জ‌নের আহবান

হজরত মুহাম্মদকে (সা.) ও ইসলাম অবমাননার পদক্ষেপে সমর্থন দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এ ঘটনায় পুরো মুসলিম বিশ্ব ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন। বেশ কয়েকটি আরব দেশ ফ্রান্সের পণ্য বয়কটেরও ডাক দিয়েছে।
 তুর্কিদের ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। এ ছাড়াও ইসলামবিরোধী ইস্যুতে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁকে থামানোর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দদের আহ্বান জানিয়েছেন ন্যাটো জোটের এই মিত্র দেশটির প্রধান।
শনিবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট  এরদোয়ান বলেছিলেন,  ম্যাক্রোঁর সমস্যা রয়েছে। তার মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে পরীক্ষা করা দরকার।  তিনি বলেন, ফ্রান্সে যেমন ‘তুর্কি ব্র্যান্ড’র পণ্য ক্রয় না করা জন্য বলা হচ্ছে; ঠিক তেমনই আমিও তুরস্কের সব নাগরিককে একই ধরনের আহ্বান জানিয়ে বলছি, কখনই কোনো ফরাসি ব্র্যান্ডকে সহায়তা করবেন না অথবা ফরাসি ব্র্যান্ড’র পণ্যসামগ্রী কিনবেন না।
এদিকে, অনেক আরব দেশেই ফরাসি জিনিস, বিশেষ করে মেক আপ সামগ্রী ও সুগন্ধী আর বিক্রি করা হচ্ছে না। শপিং মল বা দোকানের তাক খালি করে দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ডয়েচে ভেলের বাংলা সংস্করনের এক প্রতিবেদনে।

সুত্র: রয়টার্স , ড‌য়ে‌চে ভে‌লে .

Source : Kaler kontho